সম্প্রতি খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। এর কারণ জানতে চেয়ে চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ১৮ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটিকে চিঠি দেয়। চিঠির জবাবে কোম্পানিটি জানিয়েছে, এ দরবৃদ্ধির পেছনে কোনো ধরনের অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই। সিএসই সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২৪ আগস্ট কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ১১৩ টাকা। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৫২ টাকা ৫০ পয়সায়। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ৩৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) খান ব্রাদার্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৫ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সব বিনিয়োগকারীকে ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে খান ব্রাদার্সের ইপিএস হয়েছে ১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৬ পয়সায়। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৮৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে খান ব্রাদার্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৮৭ পয়সায়।
খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল বি মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি থ্রি’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে আর্গুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড (এসিআরএসএল)।
২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৮ কোটি ৮ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৮০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৭৭। এর ৩৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪ দশমিক ৭৮, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ১৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।